1. s114780@yahoo.com : admin :
  2. info@cgsecondaryschool.edu.bd : Our School : Our School
  3. school@cgsecondaryschool.edu.bd : Our School : Our School

এলাকা পরিচিতি

বিদ্যালয়ের অবস্থান:

বিদ্যালয়টির অবস্থান বাগেরহাট ও ফকিরহাট উপজেলার সীমান্ত এলাকায়। বিদ্যালয়ের অর্ধেক ফকিরহাট এবং বাকি অর্ধেক বাগেরহাট উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। বিদ্যালয় এলাকার সন্নিকটে ( ১ কি:মি) রামপাল উপজেলার সীমানা। খুলনা মংলা মহাসড়কের পাশে চুলকাটি বাজারের খুব সন্নিকটে বিদ্যালয়টির অবস্থান।

চুলকাটি বাজার:

চুলকাটি বাজার বাগেরহাট জেলাধীন সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণাঞ্চলে এটি একটি বড় ব্যবসায়ী কেন্দ্র। চুলকাটি বাজারটি বর্তমানে বড় গাভীর দুধের বাজার, নারকেলের বাজার ও কাঠের বাজারের জন্য বিখ্যাত। ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা এ অঞ্চলের ব্যবসা- বাণিজ্যের সাথে সরাসরি জড়িত।

মহিষ প্রজনন খামার:

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সরকারী মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার চুলকাটি সন্নিকটে শুকদাড়ায় অবস্থিত ( পিলজংগ ইউনিয়ন)। সাথে বর্তমানে যুক্ত হয়েছে ভেড়া প্রজনন কেন্দ্র।

চন্দ্রমহল:

দক্ষিণাঞ্চলের একটি দর্শনীয় স্থান হল চন্দ্রমহল। খুলনা মংলা মহাসড়কের চুলকাটি সন্নিকটে মহল অবস্থিত।

 

 

শিকদার বাড়ি দুর্গামন্দির:

এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ দূর্গামন্ডপ হিসাবে বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাটি বাজার সন্নিকটে হাকিমপুর শিকদার বাড়ি দূর্গামন্দির পরিচিত।

মংলা বন্দর:

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মংলা। এর সাথে যোগ হয়েছে মংলা ইপিজেড। চুলকাটি এলাকা থেকে খুব সহজে কম সময়ে যাতায়াত করা যায়।

 

ষাট গম্বুজ মসজিদ:

বিশ্ব ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ একই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। একটি দর্শনীয় স্থান। চুলকাটি থেকে খুব অল্প সময়ে সহজে যাতায়াত করা যায়।

 

সুন্দরবন ও বঙ্গপাসাগর:

একই জেলার পার্শ্ববর্তী উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। খুব সহজে চুলকাটি থেকে যাতায়াত করা যায়।

নামকরণ :

বাগেরহাট :

বাগেরহাটের নাম কে করে দিয়েছিলেন তা গবেষণা সাপেক্ষ হলেও আজ তা নিরূপণ করা দুঃসাধ্য। কারো কারো মতে, বাগেরহাটের নিকটবর্তী সুন্দরবন থাকায় এলাকাটিতে বাঘের উপদ্রব ছিল। এ জন্যে এ এলাকার নাম হয়তো ‘বাঘেরহাট’ হয়েছিল এবং ক্রমান্বয়ে তা বাগেরহাট-এ রূপান্তরিত হয়েছে। মতান্তরে হজরত খানজাহান (র.)-এর প্রতিষ্ঠিত ‘খলিফাত-ই-আবাদ’-এর বিখ্যাত ‘বাগ’ অর্থ বাগান, এ অঞ্চলে এতই সমৃদ্ধি লাভ করে যে, তা থেকেই হয়ে দাঁড়িয়েছে বাগের আবাদ তথা ‘বাগেরহাট’। তবে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মতটি হচ্ছে, শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত ভৈরব নদের উত্তর দিকের হাঁড়িখালী থেকে বর্তমান নাগের বাজার পর্যন্ত যে লম্বা বাঁক অবস্থিত, আগে সে বাঁকের পুরাতন বাজার এলাকায় একটি হাট বসতো। আর এ হাটের নামে এ স্থানটির নাম হলো বাঁকেরহাট। কালক্রমে বাঁকেরহাট পরিবর্তিত হয়ে দাঁড়িয়েছে বাগেরহাট নামে।

 

চুলকাটি:

চুলকাটি নামকরণের সঠিক কারণ এবং এর বিস্তারিত ইতিহাস পাওয়া যায়নি। তবে এর নামকরণ সম্ভবত স্থানীয়ভাবে ব্যবহৃত কোনো শব্দ বা ঘটনা থেকে এসেছে।

সম্ভাব্য কারণ : “চুলকাটি” একটি স্থানীয় শব্দ হতে পারে যা কোনো বিশেষ প্রক্রিয়া বা বস্তুর সাথে সম্পর্কিত, যেমন “চুল কাটা” বা “চুলকাটা”। আবার  চুলকাটি কোনো ব্যক্তির নাম বা উপাধির সম্পর্ক থাকতে পারে, যদিও এর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আবার  এমনও হতে পারে  চুলকাটি  কোনো বিশেষ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, যেমন গাছের নাম বা কোনো স্থানের অবস্থা, থেকে এই নামের উৎপত্তি হতে পারে।

তবে অনেকে মনে করেন তৎকালীন সময়ে চুলকাটা সম্প্রদায়ের বসত ছিল এই এলাকায়। যদিও তাদের সংখ্যা খুবই কম ছিল। ঐ সময়ে চুলকাটার জন্য বহুদূর থেকে লোকজন এখানে আসতো অথবা এখান থেকে লোক নিয়ে চুল কাটানো হতো। হয়তো সে কারণে চুলকাটি নামকরণ হতে পারে।

ঘনশ্যামপুর :

ঘনশ্যামপুর নামকরণের সুনির্দিষ্ট কোনো ইতিহাস পাওয়া যায়নি। তবে নামটি সম্ভবত একটি বিশেষ ব্যক্তি বা কোনো প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যকে কেন্দ্র করে এসেছে।

সম্ভাব্য কারণ:ঘনশ্যামপুর নামটি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নামের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, যারা এই অঞ্চলে বসবাস করতেন বা কোনোভাবে এর সাথে যুক্ত ছিলেন।  আবার , প্রাকৃতিক উপাদান: ‘ঘনশ্যাম’ নামটি দ্বারা ‘ঘন কালো মেঘ’ বা ‘শ্যামল’ রং বোঝানো হতে পারে। তাই ঘনশ্যামপুর নামটি সম্ভবত কোনো ঘন কালো গাছপালা পূর্ণ এলাকা বা শ্যামল প্রকৃতির কোনো জায়গাকে নির্দেশ করে।

তবে যতদুর জানা যায়, এই অঞ্চলটি ছিল সবুজ গাছপালায় পরিপূর্ণ। সবুজ গাছপালায় খুব ঘন বা ভরপুর ছিল। সেই থেকে ঘনশ্যামপুর নামকরণ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

© All rights reserved © 2025 Chulkati School
Developed BY Md.Al Fahad